বৃহস্পতিবার, ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আজ বৃহস্পতিবার | ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

খুটাখালীতে হাত ধোয়ার নোংরা বেসিন আছে, উধাও সাবান-পানি!

বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২০ | ৬:২৬ পূর্বাহ্ণ | 120Views

খুটাখালীতে হাত ধোয়ার নোংরা বেসিন আছে, উধাও সাবান-পানি!

সেলিম উদ্দীন,কক্সবাজার

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীতে পথচারীদের জন্য হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করেছিল বিভিন্ন সংস্থা, বাজার ও মসজিদ পরিচালনা কমিটি।

বাজারের বিভিন্ন স্থানে রাস্তার পাশে স্থাপন করা হয় হাত ধোয়ার বেসিন, ব্যবস্থা করা হয় সাবান ও পানির।

তবে স্বতঃস্ফুর্তভাবে এ কর্মসূচি শুরু হলেও এখন তার বেহাল দশা।

এসব বেসিনে প্রথম দিকে সাবান ও পানির ব্যবস্থা থাকলেও বর্তমানে অধিকাংশ জায়গায় তা নেই।

নোংরা হয়ে পড়ে আছে বেসিন। কোথাও পানির ব্যবহার ও হাত ধোয়ার প্রয়োজন মনে করছেন স্থানীয়রা।

বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেছেন, প্রয়োজনের সময় পানি পাই না। কখনো থাকে কখনো থাকে না। পর্যাপ্ত পানি ও সাবানের ব্যবস্থা থাকলে ভালো হতো।

এতে যেমন করোনা প্রতিরোধে সহায়ক হতো, তেমনি সাধারণ মানুষের উপকারও হতো।

ব্যবসায়ীরা আরো বলেন, অনেকদিন আগে থেকেই এখানে পানি ও সাবান নেই। পথচারীরা হাত ধোয়ার জন্য এসে পানি না পেয়ে ফিরে যান। আসলে দেখার কেউ নেই। তাই এমনটি হয়।

পথচারীরা বলেন, বাজারের অলি-গলিতে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

এখন অনেক জায়গা পানির ট্যাঙ্ক দেখতে পাওয়া যায় না। বেসিন এবং সাবান অনেক আগে থেকেই উধাও।

তবে খুটাখালী বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ন পয়েন্টে পরিচ্ছন্ন স্বাস্থ্যসম্মত হাত ধোয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আগের মতো সচেতন হয়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সকলকে এগিয়ে আসার প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

খুটাখালী উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম জনি চৌধুরী বলেন, পানির সরবরাহ না থাকার কারণে ব্যবহারযোগ্য রাখা কঠিন হবে। তাই সব সময় সাবান ও পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

দেশে করোনা পরিস্থিতি উন্নত না হওয়ায় ফের বাড়ানো হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি।

কিন্তু কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ২০২০ শিক্ষাবর্ষে পুনর্বিন্যাসকৃত পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে এ্যাসাইনমেন্ট/নির্ধারিত কাজ ও মূল্যায়ন নির্দেশিত থাকায় প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসা শুরু হয়েছে।

সচেতন অভিভাবকরা এতদিন তাদের সন্তানদের ঘরে রাখলেও এখন এ্যাসাইনমেন্ট থাকায় বিদ্যালয়ে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন। তাই তারাও আতঙ্কবোধ করছেন।


সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

পেইজবুকে আমরা