বৃহস্পতিবার, ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আজ বৃহস্পতিবার | ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

রাউজানে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে চার ভূয়া সাংবাদিক গ্রেপ্তার ৫, মাইক্রো জব্দ

মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ | ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ | 92Views

রাউজানে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে চার ভূয়া সাংবাদিক গ্রেপ্তার ৫, মাইক্রো জব্দ

রাউজান প্রতিনিধি
রাউজানে ইট ভাটায় সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

২৮ ডিসেম্বর(সোমবার) বিকেল ৩টায় রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চারাবটতল এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন মায়মনসিংহ জেলার শাপলা থানার খোকন আলীর ছেলে আল আমিন আহমেদ (৩৫), একই জেলার গফরগাঁও থানার সিরাজুল ইসলামের মেয়ে আরিফা আফরোজ (২০), বালুকা থানার সৈয়দ আবদুর জব্বারের মেয়ে সৈয়দা জবা (২২), একই এলাকার মাছুম হাসান (৩৫), গাড়ি চালক কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার হাশেম মজুমদারের ছেলে ইলিয়াছ মজুমদার (৫৫)।

রাউজান থানা পুলিশ জানায়, মাইক্রো (নোহা) নিয়ে গাড়ির সামনে দৈনিক বর্তমান কথা ও দেশটিভি বাংলার স্টিকার লাগিয়ে, মুঠোফেনের পেছনে নিউজ বাংলা টিভি এবং গলায় জবস টিভি ও দেশকাল পত্রিকার কার্ড ঝুলিয়ে তারা একাধিক ইট ভাটায় গিয়ে মোটা অংকের চাঁদাবাজি করে। সর্বশেষ রাউজান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ইটভাটায় চাঁদা দাবি করলে মালিক পক্ষ তাদের নগদ ২ হাজার টাকা ও বিকাশে ১০ হাজার টাকা প্রদান করেন। তৎক্ষণাৎ তাদের আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেন।
দৈনিক বর্তমান কথা পত্রিকার সাংবাদিক নিজেকে ৮ম শ্রেণী পাশ দাবি করলেও পত্রিকার নাম লিখতে বললে তিনি লিখেন ‘বরর্মান কথা’। গাড়ি চালক স্বীকার করেন, তাকে চট্টগ্রাম নগরী থেকে ভাড়া করে হাটহাজারী মোড়ে এসে কম্পিউটার দোকান হতে কাগজ বের করে গাড়ির সামনে ও পেছনে স্টীকার লাগান।

আটক দুই নারী সাংবাদিক বলেন, আল আমিন তাদেরকে কক্সবাজার নিয়ে যাওয়ার প্রভোলন দেখিয়ে রাউজানে নিয়ে আসেন। ।

এই প্রসঙ্গে সহকারী পুলিশ সুপার (রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, সাংবাদিক পরিচয়ে চার কথিত সাংবাদিকসহ ৫জনকে আটক করা হয়েছে। চাঁদাবাজির ঘটনায় ব্যবহৃত মাইক্রোটি (চট্টমেট্রা-চ-১১-৪৪৩৫) জব্দ করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন টিভি ও পত্রিকার পরিচয়পত্র ও ভিজিটিং কার্ড জব্দ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে রাউজান থানায় মামলা রুজুর পক্রিয়া চলছে।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, তারা একাধিক ইটভাটা থেকে মোটা অংকের চাঁদাবাজি করেছে। আমরা দুটি ইটভাটা থেকে ২২ হাজার টাকা চাঁদাবাজির প্রমাণ পেয়েছি। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ( সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিট) এই বিষয়ে মামলা হয়নি। মামলা প্রক্রিধীন।


সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  

পেইজবুকে আমরা