ঢাকাSunday , 17 July 2022
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. কক্সবাজার
  4. চট্টগ্রাম
  5. জাতীয়
  6. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  7. বিনোদন
  8. রাজনীতি
  9. শিক্ষা
  10. সারাদেশ
  11. সাহিত্য
  12. স্বাস্থ্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চকরিয়ায় অসহনীয় তাপমাত্রায় জনজীবন,বাড়ছে শিশু রোগী সংখ্যা 

Raju Das
July 17, 2022 3:56 pm
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মধ্য বর্ষায় গ্রীষ্মের খরা। গরমের তীব্রতা যেন আর কাটছেই না। তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। নেই বাতাস, নেই বৃষ্টি, ঘরের বৈদ্যুতিক পাখার বাতাস যেন লু-হাওয়া।
এদিকে, গরমে নাভিশ্বাসের মধ্যেই দেখা দিয়েছে শিশুদের নানা রোগের প্রকোপ। স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ বেড়েছে রোগী। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেতে বেড়েই চলেছে রোগীর চাপ। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আসা রোগীদের বেশিরভাগই শিশু। তাদের অনেকেই জ্বর, সর্দি-কাশি আর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা।
রবিবার (১৭ জুলাই) ঘুরে দেখা গেছে সকাল ১০টার পর বাইরের অবস্থা আরও ভয়াবহ। ঘরের বাইরে সূর্যের প্রখর তাপে একাকার। প্রকৃতি যেন ছাড়ছে তৃপ্ত নিঃশ্বাস। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তির ছিটেফোঁটাও নেই। সূর্য দহনে পুড়ছে গোটা চকরিয়া জুড়ে। কাঠফাটা রোদে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। তীব্র গরমে মানুষের পাশাপাশি পশু-পাখিরাও হাঁসফাঁস করছে। তীব্র খরতাপের কারণে হতদরিদ্র দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষের আয়-রোজগার ব্যাপকহারে কমে গেছে বাড়ছে কষ্ট-দুর্ভোগ। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শ্রমজীবী মানুষ ও শিশুরা। সূর্য দহনে প্রাণীকূলও শীতল পরশের জন্য বৃষ্টির জন্য মানুষের মধ্যে যেনো হাহাকার পড়ে গেছে। কিন্তু সেই কাঙ্খিত বৃষ্টি মিলছে না। কয়েকদিন ধরে আকাশে কোথাও কোথাও মেঘের দেখা মিললেও হচ্ছে না তেমন বৃষ্টি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্রে জানা যায়, অন্য তুলনায় হাসপাতালে তীব্র খরতাপে বিভিন্ন রোগের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। আক্রান্তদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগী বেশি। প্রতিদিন গড়ে প্রায় শতাধিক জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। স্থান সংকুলান না হওয়ায় অনেকেই মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পৌর শহর ফুলতলা থেকে আসা গৃহীনি সাবিনা বেগম বলেন, তার দুই বছরের শিশু সন্তান শাহরুখে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালের এসেছেন। দুই দিন হলো বাচ্চার ঠাণ্ডা জনিত জ্বর হয়েছে। ডাক্তার দেখানো হয়েছে। আমার মতো অনেক মা তাদের শিশুদের নিয়ে ভিড় করছে এই হাসপাতালে। রোগীর প্রচুর চাপ। 
পৌরশহরে মান্নান নামে এক রিকশাচালক বলেন, প্রচণ্ড গরমে রিকশা চালাতি পারছি না। হাঁপায়ে উঠছি। পেট আছে বলে বের হয়েছি। সূর্যটা যেন গলে গলে শরীরে পড়ছে। 
পৌরশহরে বেশ কয়েকজন শ্রমিকের সাথে কথা বললে তারা জানান, অনেকক্ষণ রোদে বা গরমে কাজ করতে বিশেষ করে মাঠে বা কারখানায় ও রাস্তায় ঘাটে কাজ করা যাচ্ছে না। সূর্যের তাপে চামড়া পুরে যাচ্ছে। কয়েকদিন বৃষ্টি না হওয়ায় প্রচণ্ড খরতাপে ঘর থেকে বের হতে হিমশিম খাচ্ছে শ্রমিক দিনমজুরসহ খেটে খাওয়া সব শ্রেণির মানুষ। সামান্য স্বস্তির ও একটু শীতল পরিবেশের জন্য কাজের ফাঁকে তারা ছুটছে গাছের ছায়াতলে। 
চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শোভন দত্ত বলেন, তীব্র গরমে শিশুদের রোগী সংখ্যা বাড়ছে ডায়রিয়া, ভাইরাস জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্টসহ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তারা। হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় কর্তব্যরতদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে। রোগীদের সাধ্যের মধ্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।